বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১৫ ফাল্গুন, ১৪৩০, ১৭ শাবান, ১৪৪৫

রঙিন ফুলকপি চাষ করে প্রথমবারেই সাফল্য পেয়েছেন আব্দুল লতিফ মোল্লা

রঙিন ফুলকপি চাষ করে প্রথমবারেই সাফল্য পেয়েছেন শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার কৃষক আব্দুল লতিফ মোল্লা।

সাধারণ মানুষ সাদা রঙের ফুলকপি দেখে অভ্য¯’’ হলেও জাজিরার বাজারে ক্রেতারা এখন দেখছেন রঙিন ফুলকপি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বাজারে সাদা কপির তুলনায় রঙিন ফুলকপির দাম কেজিতে ৩০/৩৫ টাকা বেশি।

এ প্রথমবারের মত নিজের ১০ শতক জমিতে হলুদ ও বেগুনি রঙের ফুলকপি চাষ করেছেন শরীয়তপুরের জাজিরা উপজলোর সোনার দেউল গ্রামের কৃষক আব্দুর লতিফ মোল্লা। চারা রোপনের ৬৫ দিনের মাথায় রঙিন ফুলকপি বিক্রির উপযুক্ত হয়।
¯’ানীয় সুত্রে জানা যায়, এসডএিস নামে ¯’ানীয় ক্ষুদ্র ঋণ বিতরণকারী এনজিওর সমন্বতি কৃষি ইউনিটের সহযোগিতায় হলুদ ও বেগুনি রঙরে ফুলকপি চাষের জন্য বীজ ও সার পান। নিজের ১০ শতক জমিতে প্রায় ১ হাজারটি চারা রোপন করনে তিনি। চারা রোপনের ৬৫ দিনের মাথায় ৬০ টাকা কেজি দরে হলুদ ফুলকপি বিত্রিু শুরু করেন।

লতিফ মোল্লা আরও জানান, ১০ শতক জমিতে এই ফুলকপি চাষ করতে প্রায় ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে, বিত্রিু হয়েছে প্রায় র্অধলক্ষ টাকা।

হলুদ ফুলকপি বিত্রিু শেষ হলওে বেগুনি গুলো তুলতে আরও সাত দিন সময় লাগবে বলে জানান আব্দুল লতফি।

রঙিন ফুলকপি চাষে আলাদা কোনো পদ্ধতি নেই জানিয়ে তিনি বলনে, “সাদা ফুলকপি চাষের মত রঙিন ফুলকপিও একইভাবে চাষ করতে হয়।”

চারা রোপনরে ৬৫ দনিরে মাথায় রঙিন ফুলকপি বিক্রির উপযুক্ত হয়।
প্িরতদিন অনকে মানুষ তার ক্ষেতে দেখতে আসছেন বলে জানান আব্দুল লতিফ।
তার আশা, আগামী বছর এ অঞ্চলে ব্যাপকভাবে রঙিন ফুলকপির চাষ হবে।
গোলাপি, হলুদ, বেগুনি ফুলকপিতে রঙিন কৃষকের আশা
একই এলাকার আরেক কৃষক শাহাজাহান মাদবর।

তিনি বলনে, “রঙিন ফুলকপি দেখতে অনেক সুন্দর, বাজারে এর চাহিদাও বেশি। আমার সাদা ফুলকপির তুলনায় আব্দুল লতিফ মোল্লা বেশি দরে তার হলুদ ফুলকপি বিত্রিু করছনে।

“এসডিএস বীজ দিয়ে সহযোগিতা করলে আমিও আগামীতে রঙিন ফুলকপির চাষ করবো।”
এসডিএসরে কৃষি র্কমর্কতা মো. খাজি আলম।

তিনি বলেন, “বিদেশি সং¯’া পিকেএসএফ ¯’ানীয় এনজিও’র মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে বিভিন্ন কৃষিবীজ দেয়। সং¯’াটির সমন্বিত কৃষি ইউনিটের সহযোগিতায় এ অঞ্চেল ব্রোকলি, লেটুস, রেড বিট, রেড ক্যাবেজ, স্কোয়াস, ক্যাপসিকামের চাষ করা হ”েছ।
“এ বছরই প্রথম আব্দুল লতিফ মোল্লাকে হলুদ ও বেগুনি রঙের ফুলকপির বীজ দেওয়া হয়। আমরা কৃষকদের রঙিন ফুলকপি চাষে সব ধরনের পরার্মশ দিয়ে থাকি।
“আশা করছি, আগামীতে এ অঞ্চলে ব্যাপকভাবে রঙিন ফুলকপির চাষ হবে।”

জাজিরা উপজেলা কৃষি র্কমর্কতা মো. জামাল হোসনে।

তিনি বলেন, “জাজিরাতে এ বছরই প্রথমবারের মত কালার ফুলকপির চাষ হয়েছে।

উপজেলা কৃষি র্কমর্কতার র্কাযালয়ে র্সাবিক পরার্মশ ও ¯’ানীয় এনজিও এসডিএসরে উদ্যোগে এটি বাস্তবায়ন হয়েছে। স্বাভাবিক ফুলকপির চেয়ে রঙিন ফুলকপিতে এন্টিঅক্সিডেন্ট, এš’সায়ানিন এবং বিটা ক্যারটিন প্রায় ২৫ শতাংশ বেশি। ফলে এটি অধিক পুষ্টি বহন করে, যা মানুষের হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও ক্যানসারের মত রোগ প্রতিরোধে যথেষ্ট র্কাযকর।

এ বছর জাজিরায় পরীক্ষামূলকভাবে প্রায় ১ একর জমিতে রঙিন ফুলকপির চাষ হয়েছে বলে তিনি জানান।

আগামীতে আরও বেশি পরিমাণ জমিতে এর চাষ হবে বলে আশা করেছেন জাজিরা উপজেলা কৃষি র্কমর্কতা মো. জামাল হোসনে।