শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৪, ৭ বৈশাখ, ১৪৩১, ১০ শাওয়াল, ১৪৪৫

শরীয়তপুর জেলার সাহিত্য নিয়ে বিশেষ আয়োজন

‘মোদের গরব মোদের আশা, আ-মরি বাংলা ভাষা’ কালজয়ী এ গানটি ষাটের দশকে পূর্ববাংলায় (বাংলাদেশে) বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনে বিশেষ উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছিল। আজও এ গীতিকবিতাটির আবেদন অম্লান। নড়িয়ার মগর গ্রামের সন্তান গীতিকবি ও সুরকার অতুলপ্রসাদ সেন তার গানের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের জন্য বাংলা সাহিত্যে ‘অতুলপ্রসাদী সংগীৎ’ কালোত্তীর্ণ আবহে সুপ্রতিষ্ঠিত।

নড়িয়ার শিরঙ্গল গ্রামের সন্তান, আন্তর্জাতিক খ্যাতনামা আবু ইসহাকের কালজয়ী উপন্যাস ‘সূর্য দীঘল বাড়ী’ বাংলা একাডেমি পুরস্কার, স্বাধীনতার পদক, সুন্দরবন সাহিত্য পুরস্কারসহ বহু পুরস্কারে ভূষিত। ‘পদ্মার পলিদ্বীপ’ ও ‘জাল’ উপন্যাস, গল্পগুচ্ছ-হারেম, মহাপতঙ্গ এবং জোঁক গল্প তার উল্লেখযোগ্য রচনা। তার অমর কীর্তি বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত ‘সমকালীন বাংলাভাষার অভিধান’। পালংয়ের বালুচরা গ্রামে জন্মগ্রহণকারী জমিদার পুত্র রথীন্দ্রকান্ত ঘটক চৌধুরী ছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্নেহধন্য ছাত্র। তিনি লোকসংস্কৃতির সংগ্রাহক, গবেষক ও দুই বাংলার খ্যাতিমান সাহিত্যিক। তার লেখা ‘রবীন্দ্র তরুমূলে’, ‘পূর্বাপর’, ‘ঝরাপাতা’, ‘অভ্যুদয়’, ‘পদক্ষেপ’, ‘কয়েকজন লোককবি ও প্রসঙ্গৎ’ এবং ‘সুকান্তের হস্তাক্ষরে কবিতার পাণ্ডুলিপি’ বাংলা সাহিত্যে অমূল্য সম্পদ হয়ে আছে।

পালংয়ের ড. সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত দু‘শতাধিক গ্রন্থের প্রণেতা। আন্তর্জাতিক খ্যাতিমান এ শিক্ষাবিদ ভারত সরকার কর্তৃক ‘পদ্মভূষণ’ সম্মানে ভূষিত। এক সময় জপসা সাহিত্যচর্চায় খুবই উর্বর ছিল। অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে লালা রামগতি সেন কবি, তার ভ্রাতা লালা রাজনারায়ণ সেন, জয় নারায়ণ সেন, ভগিনী গঙ্গামণি দেবী এবং বিদুষী কন্যা কবি আনন্দময়ী সাহিত্যে বিশেষ অবদান রেখে গিয়েছেন। জপসার আনন্দনাথ রায় ফার্সি, সংস্কৃত ও বাংলাভাষায় পাণ্ডিত্য অর্জন করে সাহিত্য সাধনায় মন দিয়েছেন। তার রচিত ‘ললিত কুসুম’ নাটক, ‘বারো ভূইয়া’, ফরিদপুরের ইতিহাস প্রথম খণ্ড ও দ্বিতীয় খণ্ড রচনা করে অমর হয়ে আছেন। তিনি সাহিত্য শেখর উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।

লোসিংয়ের গোপালচন্দ্র ভট্টাচার্য বিজ্ঞানী ও সাহিত্যিক হিসাবে সমধিক পরিচিত। বিজ্ঞান গ্রন্থসহ কমপক্ষে এক হাজারটি প্রবন্ধ লিখেছিলেন, যা বাংলাভাষা-সাহিত্যে ও বিজ্ঞানচর্চায় বিশেষ অবদান রেখে চলেছে। প্রখ্যাত যাত্রাপালাকার, পালাসম্রাট ও লোকনাট্য গুরু ব্রজেন্দ্রকুমার দে শতাধিক যাত্রাপালা রচনা করে গেছেন। বিপ্লবী পুলিনবিহারী দাস (লোনসিং) অনুশীলন সমিতির প্রতিষ্ঠাতা। তার লেখা গ্রন্থ ‘আমার জীবন কাহিনী’ এবং ‘লাঠিখেলা ও অসিশিক্ষা’ উল্লেখযোগ্য। কল্লোল পত্রিকার সম্পাদক, সুসাহিত্যিক দীনেশরঞ্জন দাস কোয়ারপুরের সন্তান।

ব্রিটিশ ভারতে ‘ফরওয়ার্ড’, ‘বিভিন্ন’ পত্রিকায় সাংবাদিকতার পাশাপাশি বাস্তবধর্মী ও প্রগতিশীল বহু ছোটগল্প ও উপন্যাসের রচয়িতা, সাহিত্যিক ও সাংবাদিক স্বর্ণকমল ভট্টাচার্য পালংয়ের বালুচর গ্রামের সন্তান। বিশিষ্ট কথাশিল্পী সাবিত্রী রায় রচনা করেছেন জীবনমুখী অনেক উপন্যাস, গল্প ও প্রবন্ধ। এ লেখিকার জন্ম পালং-এর বালুচর গ্রামে। লোকসাহিত্যেও এ অঞ্চল ঋদ্ধ। ১৮৫০ খ্রিষ্টাব্দে পালংয়ের মাকশাহার গ্রামে জন্মগ্রহণকারী লোককবি দাইমুদ্দিন বয়াতি অজস্র গানের লেখক ও গায়ক। তিনি জারিগায়ক হিসাবে খ্যাতিমান এবং বয়াতিগুরু উপাধিতে ভূষিত। তারই ছেলে কফিলউদ্দিন ছিল নামকরা লোকগায়ক। লোককবি সাকিব আলী বয়াতি বিখ্যাত পুঁথিগায়ক ও পুঁথিকবি। তিনি ডিঙ্গামানিক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। আরেকজন ওস্তাদ পুঁথিগায়ক রামভদ্রপুরের ইছাবালী শিকদার। বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রখ্যাত লোককবি আবদুল হালিম বয়াতি (ফকির) জাজিরা নাওডুবা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১০ বছর বয়সেই তিনি তথ্যমূলক গান রচনা করেন। তার গান নিয়ে অনেক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। ঢাকায় তিনি ‘হালিম সংগীতালয়’ প্রতিষ্ঠা করেছেন। আরেক লোককবি ছফরআলী ফকির আধ্যাত্মিক গান রচনা করতেন। তারই পুত্র লোককবি দলিলউদ্দিন বয়াতিও ছিলেন নামকরা শিল্পী। তাকে ধলু বয়াতি বলা হতো। এদের নিবাস জাজিরার কাজিকান্দি গ্রামে।

দক্ষিণ বিক্রমপুর সাহিত্য-সম্মিলনীর প্রথম অধিবেশন বিঝারী গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়। এর অন্যতম প্রধান উদ্যোক্তা সুসাহিত্যিক সুধাংশু শেখর মুখোপাধ্যায়। এ গ্রামে ও আশপাশের গ্রামে অনেক কবিসাহিত্যিক ও বহু সংগীত রচয়িতা ছিলেন। ১৩৩২ বঙ্গাব্দে ১৩ আশ্বিন (১৯২৫ খ্রি.) কনেশ্বর গ্রামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল দক্ষিণ বিক্রমপুর ইদিলপুর সাহিত্য সম্মিলনী পঞ্চদশ বার্ষিক অধিবেশন। এতে সভাপতিত্ব করেন শ্রী বিপিনচন্দ্র বিদ্যাবিনোদ। এর আগের বছর সাহিত্য-সম্মিলনী হয়েছিল দক্ষিণ ইদিলপুর টেংরা গ্রামে। অনেক গ্রামেই স্মৃতি সাহিত্য ও ব্যাকরণের চর্চা হতো। কালস্রোতে সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার গৌরব লুপ্ত হয়ে পড়ে। ১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দে পালংয়ের বালুচরা গ্রামে জমিদার রজনিকান্ত ঘটক চৌধুরীর বাড়িতে প্রথিতযশা সাংবাদিক-সাহিত্যিক স্বর্ণকমল ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে সাহিত্য-সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। রজনিকান্ত ঘটক চৌধুরীর পুত্র সূর্যকান্ত ঘটক চৌধুরীও সাহিত্যানুরাগী ছিলেন। তৎপুত্র রথীন্দ্রকান্ত ঘটক চৌধুরী তাদের পূর্ব পুরুষের গড়া পারিবারিক পাঠাগারটিকে আরও সমৃদ্ধ করেন এবং সাহিত্য আড্ডার একটি আশ্রয়স্থল হিসাবে এটা পরিচিতি লাভ করে। এ অঞ্চলে বিভিন্ন উচ্চবিদ্যালয় সমৃদ্ধ পাঠাগার ছিল। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে অনেকেই বইপড়া ও লেখালেখিতে অভ্যস্ত হয়ে উঠত। বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে পালং উচ্চবিদ্যালয় থেকে ‘অনুশীলন’ পত্রিকা প্রকাশিত হতো। এ ছাড়া পালংয়ের দেবনাথ বাড়ির প্রবেশপথে ছিল একটি সমৃদ্ধশালী পাঠাগার ‘দেবনাথ গ্রন্থ বীথি’। এখানেও নিয়মিত সাহিত্যপাঠ, আলোচনা এমনকি নাট্যাভিনয় বা যাত্রাভিনয় অনুশীলন হতো। তৎকালীন সময়ে এ অঞ্চলের প্রায় সব উচ্চবিদ্যালয়ে পাঠাগার ছিল এবং সাহিত্যানুশীলন হতো। শরীয়তপুরের কবি সাহিত্যিকদের মধ্যে যারা দেশে-বিদেশে অবস্থান করে বাংলা সাহিত্যে অবদান রেখে গিয়েছেন, গত হয়েছেন, তারা হলেন-কল্লোল যুগের প্রখ্যাত সাহিত্যিক অচিন্ত্য কুমার সেনগুপ্ত, পূর্ববঙ্গের প্রথম এমএ সাহিত্যিক গুরু প্রসাদ সেন, কালিদাস রক্ষিত, গ্রন্থকার অধ্যক্ষ যোগেশচন্দ্র ঘোষ, অভিনেত্রী ও লেখক শোভা সেন, অন্নদাচরণ তর্কবাগীশ, আব্দুল ওয়াজেদ, আব্দুল হক ফরিদী, কবি গোবিন্দ রায়, চন্দ্রনারায়ণ পঞ্চানন, অধ্যাপক আবদুল জলিল, ছয়গাঁও জন্মগ্রহণকারী সাহিত্যিক ইতিহাসবিদ বিবেকানন্দ মুখোপাধ্যায়, দীনেশ রঞ্জন দাস, যতীন্দ্রমোহন রায়, রামাচরণ ন্যায়াচার্য, অধ্যাপক লায়লা রশিদ, কর্নেল শওকত আলী, ভাস্কর শিল্পী শামীম শিকদার, মো. সিরাজুল হক, বিপ্লবী সিরাজ সিকদার, সুরেশ চন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, বিপ্লবী শান্তি সেন, হারুন-অর-রশিদ ফকির, রামচন্দ্র পরমহংসদেব, রামমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজবিহারী দাস, দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়, তরণীকান্ত চক্রবর্তী, চন্দ্রকুমার ঘটক, রাজেন্দ্রনারায়ণ মুখোপাধ্যায়, রেবতী কান্ত মুখোপাধ্যায়, প্রসন্নকুমার সেনবৈদ্য, শ্রীমতি আশা লতা দেবী, বসন্তকুমার সেন, ময়ূর ভট্ট, শ্রী নিবারণ সেন, বরদাকান্ত সেন, কবিরাজ অনুকূলচন্দ্র শাস্ত্রী, অমৃতলাল মুখোপাধ্যায়, পণ্ডিত রামকুমার চক্রবর্তী, নবীনচন্দ্র সেন, ডাক্তার অধ্যাপক মোসলেমউদ্দিন খান, অবিনাশচন্দ্র গুপ্ত এমএ, মেজবাহউদ্দিন আহমেদ, জ্যোতির্ময় বসু, আলহাজ সামসুদ্দিন, হাবিবউল্যাহ সুজন, রঘুনাথ চক্রবর্তী, গোপাল চন্দ্র দে, অমলেন্দু দে, অপণাপ্রসাদ সেনগুপ্ত, শ্রীকৃষ্ণ তর্কালঙ্কার, রাজ কুমার ভট্টাচার্য্য, প্রিয়নাথ সেন ডক্টর, দেবদাস গুপ্ত ইদিলপুর মুহাম্মদ ফারুকুজ্জামান, আইয়ুব আলী ঢালী, এসএম জাকারিয়া প্রমুখ।

শরীয়তপুরের বর্তমান সাহিত্যের অবস্থা : রথীন্দ্রকান্ত ঘটক চৌধুরী এবং তার বিশালাকার পাঠাগার সাহিত্য চর্চায় অবদান রেখেছে। সত্তর দশকে খোলা চত্বরে বা স্কুল মাঠে বসা হতো সাহিত্য-আড্ডায়। স্বরচিত কবিতা পাঠ ও আলোচনা হতো। তখনকার কবিদের দু-একজনের লেখা পত্রপত্রিকায় এমনকি বাংলাদেশ বেতারেও প্রকাশিত হতো। কবি শ্যামসুন্দর দেবনাথ রচিত নতুন বৈশিষ্ট্যের ‘বসন্ত’ কবিতাটি প্রথমবারের মতো ঢাকা বেতারে ১৯৭৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের কোনো এক বুধবার কথাকলি অনুষ্ঠানে প্রকাশিত ও প্রশংসিত হয়। আশির দশকের প্রথম দিকে বিভিন্ন সংগঠন সাহিত্যপত্রিকা ম্যাগাজিন, দেয়ালপত্রিকা প্রকাশ করলে এ এলাকায় সাহিত্যানুশীলনে জোয়ার লাগে কিছুটা। বর্তমানের শরীয়তপুরে বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে কমবেশি সাহিত্যচর্চা হয়ে থাকে। রথীন্দ্র সাহিত্য পরিষদ ‘শরীয়তপুর’: কথাকলি সাহিত্য একাডেমি ‘কার্তিকপুর’, ‘উদীচী শিল্পীগেষ্ঠী’ শরীয়তপুর, ‘শিক্ষা নিকেতন (কর্মকেন্দ্রিক পাঠাগার)’ শরীয়তপুর, ‘প্রগতি লেখক সংঘ’-শরীয়তপুর জেলা শাখা; ‘গঙ্গানগর সাহিত্য নিকেতন (পাঠাগার)’, গোলার বাজার ‘সূর্য দীঘল বাড়ি পাঠাগার’, নড়িয়ার ‘আবু ইসহাক সাহিত্য পরিষদ’, কবি মেহেদী মিজানের ‘কীর্তিনাশার কাব্য’, কবি শ্যামসুন্দর দেবনাথের ‘সাহিত্য-আড্ডা ও কবি (ভাঁজপত্র)’, মিজানুর রহমান গ্রামসির ‘ঢাকাস্থ শরীয়তপুর লেখক পরিষদ’, উদীচী-সখিপুর শাখা, সুপান্থ মিজানের ‘শরীয়তপুর সাহিত্য সংসদ’, শহিদুল ইসলাম পাইলটের ‘দৈনিক রুদ্রবার্তা’সহ আরও কিছু পত্রপত্রিকা ও সংগঠন শরীয়তপুর সাহিত্যাঙ্গনে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছে।

শরীয়তপুর অঞ্চলে অবস্থান করে যারা সাহিত্যচর্চা করে যাচ্ছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন মফিজুল ইসলাম, শ্যামসুন্দর দেবনাথ, মির্জা হজরত সাইজী, নাসিম জিন্নাহ, মো. রফিকুল ইসলাম সিকদার, মৃধা এ আজম, শাহজালাল মিয়া, নুরুল হক ঢালী, জসিম আহমেদ, স্বপন সরকার, মো. আলমগীর হোসেন, অতুলচন্দ্র ওঝা, আবুবকর সিদ্দিক মিলন, খান মেহেদী মিজান, মোদাচ্ছের হোসেন বাবুল, মানিকলাল সাধু, মুমু হাসান, অজয় কুমার বিশ্বজিৎ, ইশতিয়াক আতিক খান, রুদ্র রহমান, রাবেয়া আফরোজ শিউলি, তারকনাথ কংসবণিক, মো রফিকুল ইসলাম জয়, সুলতান মাহমুদ, মো. সাইফুল ইসলাম, জিহান রব্বানী জাকির, সব্যসাচী নজরুল, এসআই জানশরীফ, আলমগীর আলম, সায়মন হোসেন রাহুল, আখতারুজ্জামান জীবুল, টিএম কবির হোসেন, বিকাশ মণ্ডল, রমণীমোহন শিকদার, খায়রুন নেসা রিমি, জয়ন্ত ব্রহ্মবাদী, আসাদুজ্জামান জুয়েল, আলী আহমদ খান, শরীফ আহসান, ইউসুফ দুলাল, আবুল কালাম আজাদ, কাজী তাহমিনা আক্তার যূথী, নিলুফা পারভিন নিলু, প্রসেনজিৎ পাল কার্তিক, আবুল বাশার, বিএম মোতালেব হোসেন দিব্য, এইচএম রিপন, ইফতেখার আমিন, লিখন মাহমুদ, রাম চন্দ্র সাহা, রুদ্র শাকিব এবং আরও অনেকে।

শরীয়তপুরের বাইরে অবস্থান করে যারা সাহিত্যচর্চা করেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য : আবদুর রব শিকদার, ফণীন্দ্রনাথ রায়, মাহমুদ শফিক, দেওয়ান আজিজ, উদ্দিন জালাল, রাজু আলাউদ্দিন, রাজু আলীম, মিজানুর রহমান গ্রামসি, রোকন রায়হান, মহিবুল আলম জাহাঙ্গীর, মোতালেব হোসেন, নজরুল ইসলাম শান্ত, শফিক রহমান, সাবিনা সিদ্দিকী শিবা সুদর্শন বাছার, এ আর ইয়াসিন, হাসান চিশতী, নকিব মুকশি, সৈয়দ নাজমুল আহসান, রেদোয়ান মাসুদ, সুখময় চক্রবর্তী (চট্টগ্রাম) ঋজু রেজোয়ান, সুজন দেবনাথ, কাজলেন্দু দে, সুপান্থ মিজান, কামরুল হাসান, খান নজরুল ইসলাম, মোশারফ আলী (ফরিদপুর), আমিনুল শাহ, শ্যামসুন্দর সিকদার, আবুল কালাম মৃধা, নুরুল আমিন বুলেট, আশরাফুল আলম, এমএ আজিজ মিয়া, অনিক মাহমুদ মাসুম এবং আরও অনেকে।

বিদেশে থাকে যারা সাহিত্যচর্চা করেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য : হাইউল রশিদ ফকির, মির্জা গিয়াসউদ্দিন, মনসা কর্মকার, মোঃ ওবায়দুর রহমান বাদল, এমআর মিজানসহ আরও অনেকে। সবকিছু মিলিয়ে শরীয়তপুরের সাহিত্যচর্চা আশাব্যঞ্জক। পৃষ্ঠপোষকতা পেলে পরিস্ফুটন অন্যান্য জেলা ছাড়িয়ে জাতীয় পর্যায়ের স্থান লাভ করা অনেকের পক্ষেই সম্ভব হবে। সার্থক হোক শরীয়তপুরের সব কবি-সাহিত্যিকের কাব্যচর্চা, সাহিত্যানুশীলন।