শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৪, ৭ বৈশাখ, ১৪৩১, ১০ শাওয়াল, ১৪৪৫

শাকিবের দুই সন্তানকে নিয়ে যা বললেন অপু বিশ্বাস

ঢালিউড তারকা অপু বিশ্বাস। ফাইল ছবি

ঢালিউড তারকা অপু বিশ্বাস বলেছেন, ‘পৃথিবীতে আমার কাছে সব সন্তানই পবিত্র। সব বাচ্চাই আমার স্নেহের। সন্তানের মানসিক বিকাশের জন্য পুঁথিগত বিদ্যার চেয়ে পারিবারিক শিক্ষা অতি জরুরি। মানুষের সঙ্গে আচার–আচরণ কেমন হবে, আমি আমার বাচ্চাকে সেই শিক্ষা দিচ্ছি।’

বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমকে তিনি এসব কথা বলেন। অপু কেন এসব কথা বললেন তার কারণও রয়েছে। বিষয়টি জেনে নেওয়া যাক।

‘লাল শাড়ি’ ছবির জুটি অপু বিশ্বাস ও সাইমন সাদিক সম্প্রতি বেসরকারি একটি টেলিভিশন অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। অনুষ্ঠানে তাদের দুজনকে দর্শকদের উদ্দেশে তিন লাইনের একটি করে চিঠি লেখতে বলা হয়। অপু বিশ্বাস তার সন্তান আব্রাহাম খান জয়ের উদ্দেশে তিন লাইনের চিঠিতে লেখেন- ‘জয়, তুমি বড় হও। তোমার সঙ্গে মায়ের আশীর্বাদ আছে। তুমি তোমার ভাইকে অনেক ভালোবাসবে।’

সাইমন চিঠিটি পড়ে শোনান। ভাই বলতে শাকিব খানের আরেক সন্তান বীরের নামটি এখানে উল্লেখ না করলেও সাইমন যখন অপুর কাছে জানতে চান, ‘ভাই মানে বীর, রাইট?’ অপু হাসতে হাসতে মাথা ঝাঁকিয়ে সায় দেন।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর গণমাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে তখন হইচই পড়ে যায়।

বুবলীর ছেলে বীরের খবর প্রকাশ্যে এলেও এত দিন তাকে নিয়ে কোনো মন্তব্যই করেননি শাকিবের আরেক সন্তান জয়ের মা অপু বিশ্বাস।

বুবলীকে ইঙ্গিত করে অপু বলেন, ‘উনি যা যা করছেন বা করেন, তা তো আমার সন্তান দেখছে। আমার সন্তানের তো বোঝার বয়স হয়ে গেছে। এখন জয়ের বয়সিরা অনলাইনে লেখাপড়া করে। আমি নাম বলব না, একজন তো একটা ভিডিও ছেড়েছেন। জয়ও সেই ভিডিও দেখেছে। সুতরাং এসব ভিডিওতে তার ওপরও তো প্রভাব পড়তে পারে। কিন্তু আমি তো সেই কাজটি করব না। আমি আমার সন্তানকে সঠিক পথে একজন মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলব।’

অপু আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, আমার পারিবারিক শিক্ষা মানুষকে সম্মান দেওয়া, ক্ষতি করা নয় এবং আমি সেটা করার চেষ্টা করি। কে কাকে ছোট করছে, সেই বোধবুদ্ধি আমার আছে। আমি অনেক দিন থেকেই এসব বিষয় নিয়ে মিডিয়া এড়িয়ে চলতে চেয়েছি। কিন্তু সিনেমার মানুষ হওয়ায় মিডিয়ার সামনে কথা বলতে গিয়ে টুকটাক তা সামনে চলে আসে।’

এদিকে ওই অনুষ্ঠানের চিঠির কারণে অপু বিশ্বাসকে ফেসবুকে তার ভক্ত-অনুসারীরা বাহবা দিয়েছেন, প্রশংসা করেছেন।