শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৪, ৭ বৈশাখ, ১৪৩১, ১০ শাওয়াল, ১৪৪৫

জাজিরায় পদ্মার ভাঙ্গন কবলিত কুন্ডেরচর পরিদর্শনে ডিসি নিজাম উদ্দীন

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা, পূর্ব নাওডোবা, বড়কান্দি, পালেরচর, জাজিরা সদর, বিলাসপুর ও কুন্ডেরচর ইউনিয়ন পদ্মানদী বেষ্টিত। যার মধ্যে কুন্ডেরচর ইউনিয়নের চিটারচর ও বাবুরচরসহ অধিকাংশ ভূমিই পদ্মানদীর মধ্যে অবস্থিত। যার ফলে কুন্ডেরচর ইউনিয়নের এই চরটি প্রতি বর্ষায়ই ব্যাপক নদী ভাঙ্গনের মুখোমুখি হচ্ছে। চলতি বছরও ভাঙ্গনের ফলে বহু মানুষ ইতিমধ্যেই তাদের বসতবাড়ি সরিয়ে নিয়েছেন অন্যত্র।

স্থানীয় চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন বেপারি জানান, চলতি বছর ভাঙ্গন কিছুটা কম হলেও এই বছরেই প্রায় তিনশত পরিবার নদীভাঙ্গনের ফলে তাদের বাসস্থান অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছেন। এছাড়াও বেশ কিছু ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই নদীভাঙ্গনের ফলে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। বাবুরচর বাজার নামক একটি বাজারও নদী ভাঙ্গন আতঙ্কে রয়েছে এবং বাজারের অর্ধেক ইতিমধ্যেই নদীতে বিলীন হয়ে গিয়েছে।

বৃহস্পতিবার কুন্ডেরচর ইউনিয়নে পদ্মানদীর মধ্যে অবস্থিত নদী ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত এই এলাকাটি পরিদর্শনে আসেন শরীয়তপুরে জেলা প্রশাসক(ডিসি) মোহাম্মদ নিজাম উদ্দীন আহাম্মেদ। এসময় তার সাথে ছিলেন জাজিরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো: কামরুল হাসান সোহেল।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: মোস্তাফিজুর রহমান, জাজিরা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মো: নজরুল ইসলাম এবং কুন্ডেরচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তার হোসেন বেপারি। এছাড়াও কুন্ডেরচর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দসহ গণমাধ্যম কর্মীগন উপস্থিত ছিলেন।

দুপুরে জাজিরার শফিক কাজীর মোড় এলাকা থেকে একটি ওয়াটার বাসে করে তারা কুন্ডেরচর এলাকায় আসেন। এসময় স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ জনগনের কাছে নদী ভাঙ্গন সম্পর্কে খোঁজখবর নেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নিজাম উদ্দীন আহাম্মেদ। পাশাপাশি শরীয়তপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক ইতিমধ্যেই পাশকৃত অস্থায়ী প্রকল্প হিসেবে জিও ব্যাগ ডাম্পিং খুব দ্রুত শুরু করা হবে বলে জানান।