বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২৩, ২২ অগ্রহায়ণ, ১৪৩০, ২২ জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৫

শরীয়তপুরে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ২০

 

ঢাকায় ছাত্রলীগের সমাবেশে লোক কম নেওয়াকে কেন্দ্র করে শরীয়তপুরের বুড়িরহাট আঞ্চলিক শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় শতাধিক বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। ভাঙচুর করা হয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ২০ জন। ঘটনাটি ঘটে সোমবার দুপুরে শরীয়তপুর-চাঁদপুর মহাসড়কের বুড়িরহাট এলাকায়। আহতদের ঢাকা মোডিকেল কলেজ হাসপাতাল, শরীয়তপুর সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ৫ জনকে আটক করেছে পালং মডেল থানা পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আক্তার হোসেন।

জানা যায়, শুক্রবার ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ছাত্র সমাবেশে লোক কম নেওয়াকে কেন্দ্র করে বুড়িরহাট আঞ্চলিক শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি জুম্মান বেপারী এবং সাধারণ সম্পাদক তাওসিব সরদারের মধ্যে বিরোধ বাধে। এর জেরে জুম্মনের চাচা আব্দুস সামাদ বেপারীকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে বিরোধী পক্ষ। এ নিয়ে সোমবার সকালে বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় গণ্যমান্যদের নিয়ে বুড়িরহাট মসজিদ মাকের্টে আপস-মীমাংসায় বৈঠক বসে। কিন্তু মীমাংসা না হওয়ায় বৃহস্পতিবার আবার বসার দিন দেওয়া হয়। এ সময় রুদ্রকর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড মেম্বার মহব্বত খান মাসুদ উত্তেজিত হয়ে বলেন, ওদের সঙ্গে কীসের মীমাংসা? ওদের ধর। এ কথায় দুই গ্রুপের লোকজন রাম দা, ছেন দা, ট্যাটা-বল্লম নিয়ে এবং বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে একে অপরের ওপর হামলা করে। এ সময় উভয় গ্রুপের মধ্যে ইয়াসিন বেপারী, কালু বেপারী, মহাম্মদ আলী, হান্নান বেপারী, জুম্মন বেপারী, ইমন বেপারী, সিজান বেপারী, মালেক হোসেন, আতাউর রহমান, আহাম্মদ আলীসহ ২০ জন আহত হন। তাদের মধ্যে আহাম্মদ আলীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে পাঠানো হয়েছে। এ সময় হামলাকারীরা ইয়াসিন বেপারীর হোটেলসহ কয়েকটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর ও লুটপাট করে। পালং মডেল থানা পুলিশ ও ডামুড্যা থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। ইয়াসিন বেপারী বলেন, ছাত্রলীগের সমাবেশে লোক কম নেওয়াকে কেন্দ্র করে তাওসিবের লোক মহব্বত খান মাসুদ তার লোকজন নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করেন। এরপর দুই গ্রুপ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

জুম্মন বেপারী বলেন, ঢাকার সমাবেশে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র তাওসিবের সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটি হয়। ঘটনাটি জেলা ছাত্রলীগের নেতারা মীমাংসা করে দেন। এরপর এলাকায় এসে একজনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। আজ আমাদের ওপর হামলা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভাঙচুর করে।

 

facebook sharing button
messenger sharing button
whatsapp sharing button
twitter sharing button
linkedin sharing button
যুগান্ত