বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১, ৬ জিলহজ, ১৪৪৫

গোসাইরহাটে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে হয়রানির শিকার গ্রাহক

 

গোসাইরহাটে বিদ্যুৎ বিল নিয়ে গ্রাহকদের অভিযোগের শেষ নেই। প্রায়ই বিদ্যুৎ বিল দেখে অনেক গ্রাহকের চোখ কপালে উঠে যায়। মিটারের ইউনিট না দেখেই অতিরিক্ত বিল করা হয়, গ্রাহকের বাড়ি না গিয়ে আগের মাসের বিল দেখে মনগড়া বিল করা, আবার বিল নিয়ে অভিযোগ করতে গেলে হয়রানি করা হয়। এসব হয়রানির কারণে গ্রাহকরা অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন। অনেক গ্রাহকের অভিযোগ, বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংশ্লিষ্টরা মিটারের ইউনিট না দেখে মনগড়া ইউনিট বসিয়ে দেওয়ার ফলেই এ হয়রানির মাত্রা বেড়েই চলেছে। ডিজিটাল মিটারের রিডিং বিড়ম্বনা এভাবে গ্রাহকদের গলা কেটে বিল নেওয়ায় সাধারণ মানুষ দিশাহারা ও ক্ষুব্ধ।

পল্লীবিদ্যুৎ সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় মোট ৪৮ হাজার সংযোগ রয়েছে, লাইফ লাইন ৫০ ইউনিট পর্যন্ত ৪ টাকা ৩৫ পয়সা এবং ৭৫ ইউনিটের ৪.৭৫ টাকা পর্যন্ত এসব মিটারের বিল শ্রেণিভিত্তিক রিডিং দেখে করার কথা থাকলেও প্রায়ই বাড়িতে না গিয়েও বিল করে বলে জানা যায়। ভুক্তভোগী কাইয়ুম ডাকুয়াসহ একাধিক গ্রাহক বলেন, বিদ্যুৎ বিল কর্মীরা যেন বাড়ি বাড়ি গিয়ে মিটার দেখে বিল করেন। অহেতুক ভাবে গ্রাহকদের হয়রানি না করতেও অনুরোধ জানান তারা। একই সঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার বিএস কোয়ার্টারের বিদ্যুৎ বিলের চিত্রে দেখা যায়, সেপ্টেম্বর মাসের বিল করা হয়েছে ৪২৯ টাকা, কিন্তু অক্টোবরে তা এক লাফে ১৪ হাজার ৭১৮ টাকা বিল করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন, কোয়ার্টারে কেউ থাকে না, বিদ্যুৎও ব্যবহার হয়নি। তারপরও বিল করা হয়েছে।

গোসাইরহাট জোনের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী কাজী রমজান আলী বলেন, সমস্যা সমাধানে চেষ্টা করছি। এসব বিষয় অভিযোগ আসছে গড়বিলের মিটার পরিবর্তন করার কাজ চলতেছে।