শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১১ ফাল্গুন, ১৪৩০, ১৩ শাবান, ১৪৪৫

নির্ধারিত সময়ের দুই বছরেও সেতুর কাজ শেষ হয়নি, ভোগান্তি

 

ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় পাঁচ বছর আগে বন্ধ করে দেওয়া হয় শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা সদরে ভাষাসৈনিক ডাক্তার গোলাম মাওলা সেতুটি। ২০১৭ সালে সেখানে নতুন একটি সেতু নির্মাণ শুরু হয়। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। নির্ধারিত সময়ের দুই বছর পরও কাজ শেষ হয়নি। এখন পর্যন্ত কাজ শেষ হয়েছে মাত্র ৩০ শতাংশ। নতুন করে ঠিকাদার নিয়োগ করে সেতুর কাজ করা হবে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। নতুন সেতুর নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে এলাকার মানুষ।

এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ঢাকার সঙ্গে সড়কপথে যোগাযোগ সহজ করতে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে কীর্তিনাশা নদীর ওপর ৯৯ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি সেতু নির্মাণ করা হয়। যাতায়াতের পাশাপাশি পণ্য পরিবহনের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ছিল সেতুটি। পদ্মা নদীর ভাঙনের কারণে সেতুটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এ কারণে ২০১৫ সালে সেতু দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয় স্থানীয় প্রশাসন।

সেতু দিয়ে যাতায়াত করত নড়িয়া, জাজিরা ও ভেদরগঞ্জ উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ। সেতু বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে তারা। যানগুলোকে শরীয়তপুর সদরের প্রেমতলা হয়ে ১৫ কিলোমিটার ঘুরে চলাচল করতে হচ্ছে।