বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৪, ৩ শ্রাবণ, ১৪৩১, ১১ মহর্‌রম, ১৪৪৬

ভাটা মালিকদের কারসাজি শরীয়তপুরে ইটের আকার ছোট করে বিক্রি

 

শরীয়তপুরে ইটের আকার ছোট করে ক্রেতাদের ঠকাচ্ছেন ভাটা মালিকরা। গড়ে প্রতি হাজারে ক্রেতারা ঠকছেন ২৮৪টি ইট। জেলার অধিকাংশ ইটভাটাই অবৈধ। কিন্তু কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগ এসব অবৈধ ইটভাটা থেকে শতভাগ রাজস্ব আদায় করছে। পরিবেশের ছাড়পত্র রয়েছে হাতেগোনা সাতটির। বাকিগুলোর নেই পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র। পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র না থাকার কারণে জেলা প্রশাসন থেকে লাইসেন্স দেওয়া হয়নি। ভাটা মালিকদের দাবি, সরকারের নীতিমালা মেনে ভাটা স্থাপনে তারা পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্রের জন্য আবেদন করেছেন। কিন্তু কোনো অনুমোদন পাচ্ছেন না বছরের পর বছর।

চলতি বছর উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ার এবার প্রতি হাজার ইটের দাম বাড়ানো হয়েছে দুই থেকে তিন হাজার টাকা। সরকারিভাবে বিভিন্ন দিবস পালনের ব্যয় মেটাতে এসব ভাটা মালিক তাদের সমিতির মাধ্যমে ভূমিকা পালন করেন বলে তাদের দাবি। অবৈধ হলেও ভাটাগুলো থেকে প্রতি বছর সরকারিভাবে আদায় করা হচ্ছে রাজস্ব। এসব অনিয়ম থাকার পরও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শরীয়তপুর সদর, জাজিরা, গোসাইরহাট, ভেদরগঞ্জ, ডামুড্যা এবং নড়িয়া উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটা ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতারা প্রতি হাজার ইটে কমপক্ষে ২৮৪টি ইট কম পাচ্ছেন।