শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪, ১০ ফাল্গুন, ১৪৩০, ১২ শাবান, ১৪৪৫

নড়িয়ায় অগ্নিকান্ডে ৬ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়ে ছাই

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলা সদরে এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৬ টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। আজ শনিবার ভোর ৬টায় উপজেলার নড়িয়া বাজারের বড় ব্রিজ এলাকায় এ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। নড়িয়া উপজেলা ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ৩০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হলেও আগুনে কোটি টাকার বেশী ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবী করেছে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা। তবে ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী ৩১ লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি দেখানো হয়েছে।
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সুত্রে জানা যায়, আজ শনিবার ভোর ৬টার দিকে নড়িয়া বাজারের বড় ব্রিজ রোড এলাকার মাহবুব আলমের ব্যাটারির দোকান থেকে অগ্নিকাÐের সুত্রপাত হয়ে দ্রæত আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসে খবর দিলে নড়িয়া ফায়ার সার্ভিসের দুটি টিম ঘটনাস্থলে পৌছে অগ্নি নির্বাপনের কাজ শুরু করে। আধা ঘণ্টার প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। এর মধ্যেই মাহবুব আলমের ব্যাটারির দোকান, আক্তার হোসেনের ঔষধের দোকান, ইদ্রিস আলীর ফার্নিচারের দোকান, বাবুল শেখের এসি ফ্রিজ মেরামতের দোকান, নাসির শেখের থাই ও অ্যালুমিনিয়ামের দোকান এবং হিরণ মোল্লার ফ্লেক্সি লোডের দোকান ও দোকানের মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত ফার্মেসী ব্যবসায়ী আক্তার হোসেন বলেন, আমার ঔষধের দোকানে অন্তত ৩০ লাখ টাকার মালামাল ছিল। আগুনে আমার সব কিছু শেষ হয়ে গেছে। সরকারের সাহায্য ছাড়া আমার আর কোনো বাঁচার পথ নেই।
নড়িয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশন কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি ব্যাটারির দোকানের বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়েছে। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক আমাদের ২ টি ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আধা ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। দ্রæত আগুন নেভাতে পারায় প্রায় ৬৫ লক্ষ টাকার সম্পদ রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে ৩১ লক্ষ টাকার ক্ষয়-ক্ষতি নিরুপন করা হয়েছে। তবে চুড়ান্ত প্রতিবেদনে সঠিক ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ নিশ্চিত করা যাবে।
নড়িয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার শংকর চন্দ্র বৈদ্য বলেন, অগ্নিকান্ডের সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ছয়টি দোকান পুড়ে গেছে। দ্রæত ব্যবস্থা নিতে পারায় ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ অনেক কম হয়েছে। আমরা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদেরকে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের পরামর্শ অনুযায়ী ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করব।