শনিবার, ২০ এপ্রিল, ২০২৪, ৭ বৈশাখ, ১৪৩১, ১০ শাওয়াল, ১৪৪৫

শরীয়তপুরে খুনের মামলার প্রধান আসামিকে কুপিয়ে হত্যা

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় গুলিতে কিশোর খুনের মামলার প্রধান আসামিকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার রাতে উপজেলার সেনেরচর চরদুপুরিয়া মাদবরকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে বলে জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান জানান।

নিহত রাসেল বেপারী ওরফে মন্টু বেপারী (৫৩) উপজেলার সেনেরচর ইউনিয়নের ভোলাই মুন্সীকান্দি গ্রামের আরশেদ আলী বেপারীর ছেলে।

নিহতের চাচাতো ভাই মামুন বেপারী ও পুলিশ জানায়, মন্টুর সঙ্গে এলাকার আধিপত্য বিস্তার নিয়ে একটি পক্ষের দীর্ঘ দিন বিরোধ ছিল।

তিন বছর আগেও দুই পক্ষের শত্রুতার জেরে রিয়াজ নামে এক কিশোরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই মামলার প্রধান আসামি ছিলেন মন্টু বেপারী।

মামুন বেপারীর দাবি, শুক্রবার রাতে মন্টু বেপারী ও তার ভাতিজা বাবু বেপারী উপজেলার মুলনায় একটি বিয়ে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলযোগে ফিরছিলেন।

তারা মাদবরকান্দি এলাকায় পৌঁছলে প্রতিপক্ষের এমদাদ মাদবর ও তার লোকজন মোটরসাইকেলটির গতিরোধ করেন। পরে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দিলে আত্মরক্ষার জন্য মন্টু ও বাবু পাশের একটি বাড়িতে ঢোকেন।

এসময় হামলাকারীরা ওই বাড়িতে গিয়েই চাচা ও ভাতিজাকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করেন।

পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মিন্টু বেপারীকে মৃত্য ঘোষণা করেন।

বাবু বেপারীর অবস্থার অবনতি হওয়ায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো হয়।

নিহতের ভাগ্নে ফারুক সরদার বলেন, “এমদাদ মাদবর ও দেলোয়ার মাদবরের লোকজন আমার মামাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। আহত বাবুর হাতের কয়েকটি আঙ্গুল পড়ে গেছে। তাকে ঢাকা পাঠানো হয়েছে।”

তবে ঘটনার পর থেকে এমদাদ ও দেলোয়ার পলাতক। বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। তাদের মোবাইল নম্বরও বন্ধ পাওয়া যায়।

ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, “লাশ উদ্ধার করে শনিবার দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।”