বুধবার, ২৯ মে, ২০২৪, ১৫ জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১, ২০ জিলকদ, ১৪৪৫

নির্বাচন কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিতের অভিযোগে আইনজীবীর নামে মামলা

ওই আসামি শরীয়তপুর জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।

শরীয়তপুর জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আলমগীর মুন্সী।

 

শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে এক আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

বুধবার রাতে সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র দে বাদী হয়ে পালং মডেল থানায় মামলাটি করেন বলে জানান পালং মডেল থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন আহম্মেদ।

আসামির নাম আলমগীর মুন্সী। তিনি শরীয়তপুর জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।

তবে নির্বাচন কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ অস্বীকার করে আইনজীবী আলমগীর মুন্সী বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ওনার (বিকাশ চন্দ্র দে) সঙ্গে আমার এমনিতেই কথা হয়েছে। ঘটনার সময় যারা উপস্থিত ছিলেন তারাও জানেন, ওনার সঙ্গে আমি কী কথা বলেছি।”

পুলিশ ও নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকালে নির্বাচন সংক্রান্ত একটি নথি নিয়ে শরীয়তপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাইফুদ্দিন গিয়াসের কক্ষে বসে তার সঙ্গে আলোচনা করছিলেন সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র। এ সময় সেখানে আলমগীর মুন্সী প্রবেশ করলে নথিটি উল্টে রাখা হয়। বিষয়টি ভালোভাবে নেনেনি তিনি।

ঘটনার পরদিন বুধবার বিকালে বিকাশ চন্দ্র জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পাশ দিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে যাচ্ছিলেন। পথে আলমগীর মুন্সী তাকে ডেকে নিয়ে নথি উল্টে রাখার কারণ সম্পর্কে জানতে চান। এক পর্যায়ে বিকাশ চন্দ্রকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে মারধর করতে উদ্যত হন তিনি।

প্রতিবাদ না করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে যাওয়ার সিঁড়িতে রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুদ্দিন গিয়াস, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মাইনউদ্দিন, এনডিসি সোহেল রানা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ সূত্রধরের সঙ্গে বিকাশ চন্দ্রের দেখা হয়। তিনি কর্মকর্তাদের পেয়ে আলমগীর মুন্সীর বিষয়টি তাদেরকে বলেন। বিষয়টি শুনে ঘটনাস্থলের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আলমগীর মুন্সী ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ অন্যদের সামনেই আলমগীর মুন্সী আবারও বিকাশ চন্দ্রকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। পরে ঘটনার বিস্তারিত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে জানান বিকাশ চন্দ্র দে। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানান।

নির্বাচন কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র দে বলেন, “প্রথম দফা গালিগালাজের পর আলমগীর মুন্সী আবারও রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ অন্যদের সামনে আমাকে গালিগালাজ করে মারতে আসেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতনদের জানিয়েছি। তাদের কথা অনুযায়ী মামলা করেছি।”

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, “বিষয়টি সারাদেশের কর্মকর্তাদের জন্য দুঃখজনক। এ ঘটনায় মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।”

বিষয়টি শোনার কথা জানিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুদ্দিন গিয়াস বলেন, “যা ঘটেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।”

পালং মডেল থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আইনজীবী আলমগীর মুন্সীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

ওই আসামি শরীয়তপুর জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।

শরীয়তপুর জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য আলমগীর মুন্সী।

শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে এক আইনজীবীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

বুধবার রাতে সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র দে বাদী হয়ে পালং মডেল থানায় মামলাটি করেন বলে জানান পালং মডেল থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন আহম্মেদ।

আসামির নাম আলমগীর মুন্সী। তিনি শরীয়তপুর জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য।

তবে নির্বাচন কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ অস্বীকার করে আইনজীবী আলমগীর মুন্সী বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। ওনার (বিকাশ চন্দ্র দে) সঙ্গে আমার এমনিতেই কথা হয়েছে। ঘটনার সময় যারা উপস্থিত ছিলেন তারাও জানেন, ওনার সঙ্গে আমি কী কথা বলেছি।”

পুলিশ ও নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার বিকালে নির্বাচন সংক্রান্ত একটি নথি নিয়ে শরীয়তপুর জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সাইফুদ্দিন গিয়াসের কক্ষে বসে তার সঙ্গে আলোচনা করছিলেন সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র। এ সময় সেখানে আলমগীর মুন্সী প্রবেশ করলে নথিটি উল্টে রাখা হয়। বিষয়টি ভালোভাবে নেনেনি তিনি।

ঘটনার পরদিন বুধবার বিকালে বিকাশ চন্দ্র জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের পাশ দিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে যাচ্ছিলেন। পথে আলমগীর মুন্সী তাকে ডেকে নিয়ে নথি উল্টে রাখার কারণ সম্পর্কে জানতে চান। এক পর্যায়ে বিকাশ চন্দ্রকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে মারধর করতে উদ্যত হন তিনি।

প্রতিবাদ না করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে যাওয়ার সিঁড়িতে রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুদ্দিন গিয়াস, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মাইনউদ্দিন, এনডিসি সোহেল রানা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ সূত্রধরের সঙ্গে বিকাশ চন্দ্রের দেখা হয়। তিনি কর্মকর্তাদের পেয়ে আলমগীর মুন্সীর বিষয়টি তাদেরকে বলেন। বিষয়টি শুনে ঘটনাস্থলের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা আলমগীর মুন্সী ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।

রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ অন্যদের সামনেই আলমগীর মুন্সী আবারও বিকাশ চন্দ্রকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। পরে ঘটনার বিস্তারিত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে জানান বিকাশ চন্দ্র দে। জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বিষয়টি জেলা প্রশাসককে জানান।

নির্বাচন কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র দে বলেন, “প্রথম দফা গালিগালাজের পর আলমগীর মুন্সী আবারও রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ অন্যদের সামনে আমাকে গালিগালাজ করে মারতে আসেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতনদের জানিয়েছি। তাদের কথা অনুযায়ী মামলা করেছি।”

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান বলেন, “বিষয়টি সারাদেশের কর্মকর্তাদের জন্য দুঃখজনক। এ ঘটনায় মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমরা।”

বিষয়টি শোনার কথা জানিয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুদ্দিন গিয়াস বলেন, “যা ঘটেছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক। এ বিষয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।”

পালং মডেল থানার ওসি মেজবাহ উদ্দিন আহম্মেদ বলেন, সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে আইনজীবী আলমগীর মুন্সীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে