মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৪, ১০ বৈশাখ, ১৪৩১, ১৩ শাওয়াল, ১৪৪৫

সকালের ৫ কাজে কমবে ওজন দ্রুত

 

ওজন কমানোর লক্ষ্য পূরণ করতে চাইলে প্রতিটা দিন গুরুত্বপূর্ণ।

এজন্য দিনের শুরুতেই করতে হবে পাঁচটি কাজ।

‘ইটদিস নটদ্যাট ডটকম’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে ‘ফাইনালি ফুল, ফাইনালি স্লিম’ বইয়ের মার্কিন লেখক, পুষ্টিবিদ লিসা ইয়ং বলেন, “ওজন কমাতে সকালের খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ।”

এক গ্লাস বিশুদ্ধ পানি পান

ওজন কমাতে পানি পান উপকারী। ‘জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক রিসার্চ’য়ে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা সকাল, দুপুর ও রাতের খাবারের ৩০ মিনিট আগে পানি পান করেন তাদের ‘বিএমআই ইন্ডেক্স’ কমে আসে।

সুস্থ থাকতে সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস পানি পান করা সবচেয়ে ভালো উপায়। ইয়ং ব্যাখ্যা করেন, “সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে, তাই পানি পান জরুরি।”

পানির স্বাদ বাড়তে চাইলে এতে সামান্য লেবুর রস বা পুদিনা যোগ করে নেওয়া যায়।

প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার

সকালের নাস্তায় প্রোটিন ধরনের খাবার যেমন- ডিম, দই বা বাদামের মাখন ইত্যাদি রাখা যেতে পারে। এতে অনেকক্ষণ পেট ভরা থাকে।

তাছাড়া রক্তের শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতেও প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া ভালো বলে জানান, ইয়ং।

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার এটা অন্যতম সহজ উপায়।

নাস্তায় ফল রাখা

সকালের নাস্তায় ফল রাখা ভালো। এটা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও আঁশের ভালো উৎস।

“অপ্রয়োজনীয় ক্যালরি বাড়ানো ছাড়াই খাবারে বৈচিত্র্য আনতে পারে ফল”, বলেন, ইয়ং।

‘অ্যানালস অব ইন্টারনাল মেডিসিন’য়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, দৈনিক খাবার তালিকায় ৩০ গ্রাম আঁশ বৃদ্ধি করা রক্তচাপ কমায় এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে।

খাবার তালিকায় আঁশের মাত্রা যত বেশি হবে ওজন হ্রাসের গতি তত দ্রুত হবে।

শস্য-জাতীয় খাবার খাওয়া

সব ধরনের কার্বহাইড্রেইট খারাপ এটা ভাবা ভুল। সকালের নাস্তায় অপ্রক্রিয়াজাত পূর্ণ শষ্য দিয়ে তৈরি খাবার রাখতে হবে।

ইয়ং বলেন, “পূর্ণ শস্য দিয়ে তৈরি খাবার যেমন- ওটস বা লাল আটার রুটিতে থাকে আঁশ ও পুষ্টি উপাদান, যা পেট ভরা রাখে। তাই অকারণেই কার্বোহাইড্রেইট’কে ভয় পাওয়া যাবে না।”

কিছুক্ষণ হাঁটা যাওয়া

সুস্থ থাকতে সকালে ঘুম থেকে উঠে হাঁটতে যাওয়া একটা ভালো কাজ। ওজন কমানোর পাশাপাশি মাথা ঠাণ্ডা ও নির্ঝঞ্ঝাট রাখতে সকালের হাঁটা উপকারী।

ইয়ং বলেন, “স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পাশাপাশি সকালে হাঁটা ওজন কমানোর স্বাস্থ্যকর উপায়।”

হাঁটা ক্যালরি পোড়ায়, হাঁড় শক্ত রাখে এবং মন ভালো রাখতেও সহায়তা করে।